পাঠকের কলাম

অনিয়মে “মুক্তি কক্সবাজার”

হুমায়ুন কায়সার মামুন : কষ্ট লাগে। বিষণ্ন থাকে মন। রক্ত গরম হয়ে যায়।প্রতিবাদী হয়ে উঠে আপাদমস্তক।

অনিয়মের আরেক নাম মুক্তি কক্সবাজার। দুর্নীতির আরেক দৃষ্টান্ত মুক্তি কক্সবাজার। মানবতার সেবার নামে ব্যবসায়ের নাম মুক্তি কক্সবাজার।

বেশ কিছু বছর আগেও মুক্তি কক্সবাজারের সুনাম ছিল। প্রশংসা করতো সবাই। ইতিবাচক সেবাধর্মী সংস্থা হিসেবে নজরকাড়া ছিল।

রোহিঙ্গা আসার পর থেকে মুক্তি কক্সবাজার বড় বড় ডোনারের প্রজেক্ট পেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বোয়াইঙ্গা নিয়োগ পেতে শুরু করে। বোয়াইঙ্গা প্রজেক্ট প্রধানরা নানা ছল-চাতুরিতে, কলাকৌশলে, ঠুনকো অভিযোগে, বানানো অজুহাতে স্থানীয়দের ছাঁটাই করতে শুরু করে। পদোন্নতি আটকাতে শুরু করে। স্থানীয়দের উপর বোয়াইঙ্গাদের প্রভাব বিস্তার বাড়তে থাকে।

মুক্তি কক্সবাজারের চীফ এক্সিকিউটিভ মহোদয় দেখেও না দেখার ভান করতে শুরু করে।বোয়াইঙ্গাদের পক্ষ নেয়। নিরপেক্ষতা ও সততা থেকে ছিটকে পড়ে। আরো নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে শুরু করে স্থানীয় পিসি মহোদয়েরা।ব্যক্তিস্বার্থের জালে আটকা পড়ে।

আনোয়ার হোসেন। বাড়ি দিনাজপুর। মুক্তি কক্সবাজারের পিসি। পালংখালি, শামলাপুর, টেকনাফ ও আরো কিছু ইউনিয়নের পিসির দায়িত্বে।

শালা আনোয়ার বোয়াইঙ্গা। প্রথমে স্থানীয় ৪ জনকে শামলাপুর বদলি করলো। তারপর টেকনাফ সদরে।তারপর উখিয়া অরিয়েন্টেশন নামে নিয়ে আসলো।সবকিছু ঘটালো ১ মাসের মধ্যে। পরিশেষে ৪ জনকে বললো তোমাদের পোস্টিং কুতুবদিয়া। ওখানে তোমাদের খুব দরকার।

সাজানো নাটক ও ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে নিতান্ত অসহায় ও নিরুপায় হয়ে রিজাইন করলো। চুপ রইলো চিফ এক্সিকিউটিভ। চুপ রইলো অন্যান্য পিসি মহোদয়গণ।

শালা বোয়াইঙ্গা পিসি আনোয়ার কিউট সুদর্শনা রমণী নিয়ে আসলো দিনাজপুর থেকে।

আজ কোথায় গেলো স্থানীয় প্রতিবাদীরা। কোথায় গেলো রাজনৈতিক নেতারা। কোথায় গেলো অধিকার আদায়ের জন্য বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর সাংবাদিকেরা।

শালা আনোয়ার বালুখালি, থাইংখালি যখন আসে ধরে তালগাছের আগায় বেঁধে পা দুনোটা উপরে রেখে মাথা ঝুলিয়ে স্থানীয়দের ক্ষমতা দেখানো এখন সময়ের ব্যাপার।

 

লেখক: বালুখালী, উখিয়া, কক্সবাজারের স্থানীয়

প্রতিবাদী যুবক।