কক্সবাজারপর্যটন

ঈদের ছুটি শেষ হলেও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকের ভীড়

শাহ্‌ মুহাম্মদ রুবেল : কোরবানি ঈদের আমেজ কাটেনি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তা উপেক্ষা করেই উচ্ছ্বাসে মেতেছেন পর্যটকরা। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, ট্যুরিস্ট পুলিশ, আনসার ও লাইফ গার্ড কর্মীরা।

শনিবার রাত থেকেই পর্যটন শহর কক্সবাজারে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। রোববার দুপুর হতেই আকাশ অনেকটা রৌদ্রময়। সাগরে স্রোতের তীব্রতা সামান্য বেশি মনে হলেও খুব উত্তাল বলা যাবে না। এজন্যে পর্যটকদের মধ্যে তেমন উৎকন্ঠা নেই।

এখনো লাখো পর্যটকের ভীড়। সাগর আর পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগে মেতেছেন পর্যটকরা। বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঈদের পরদিন থেকে সৈকতের সব পয়েন্টে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড়। সৈকত ছাড়াও জেলার বিনোদন স্পটগুলোতেও পর্যটকের কমতি নেই।

রোববার সকাল থেকে মেঘ-রোদরে লুকোচুরি খেলায় বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সাগরের উচ্ছ্বাসে মেতেছেন পর্যটকরা। এর প্রভাব পড়েছে হোটেল-মোটেল গুলোতে।

হোটেল মালিক সমিতি সুত্রে জানা গেছে, শহরের প্রায় ৪০০ শত হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউজের কক্ষ খালি নেই। ঈদের ছুটি সাথে সরকারি ছুটি মিলে পর্যাপ্ত সময় হাতে থাকায় স্বজনদের নিয়ে সমুদ্র সৈকতসহ জেলার পর্যটন স্পট গুলোতে ভিড় জমিয়েছেন ভ্রমণ পিপাসুরা।

চট্টগ্রাম থেকে নববধুকে নিয়ে হানিমুনে এসেছেন মো. আলম, তিনি বলেন, বিয়ে করে বউকে নিয়ে হানিমুনে এলাম কক্সবাজারে। বউকে যখন জিজ্ঞেস করি হানিমুনে কোথায় যাবে? কক্সবাজার থাকতে আর কোথায়! কক্সবাজার কেন এত ভাল লাগে জানতে চাইলে বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। একদিকে সাগর অপরদিকে পাহাড়। এই যেন সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে সাজিয়েছেন৷ সমুদ্র স্নান এবং সি-ফুড বেশী ভাল লাগে।