উখিয়ায় ভূমিদস্যু রোহিঙ্গা আনোয়ারের রামরাজত্ব, শঙ্কিত এলাকাবাসী

সংবাদদাতা: কক্সবাজারের উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম হরিণমারা গ্রামে একটি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের গ্যাং লিডারের বিভিন্ন অপকর্মের জেরে শংকায় এলাকাবাসী। আনোয়ার নামের এ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ক্যাডারের অব্যাহত হুমকির মুখে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কিছু অসহায় দরিদ্র পরিবারও।

পশ্চিম হরিণমারা গ্রামের মৃত আবদুল করিমের পুত্র  দরিদ্র কৃষক ছৈয়দ নুর প্রকাশ (কালা মনু) বাপ দাদার আমলের সত্ব দখলীয় জায়গায় বসতভিটায় পরিবার পরিজন নিয়ে থাকতে নানান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। একজন মিয়ানমারের জনৈক বাসিন্দা হরিণ মারা এলাকায় রোহিঙ্গা ডাক্তার নামে পরিচিত। মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন আরেক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য আনোয়ারকে। আনোয়ার হরিণ মারার জনৈক ব্যক্তির মেয়ে বিয়ে করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছে বলে স্থানীয় মহলের কাছ থেকে জানা গেছে।

তার বিরুদ্ধে রয়েছে ইয়াবা, অবৈধ অস্ত্র ও স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগসহ তার রয়েছে একাধিক স্ত্রী।পশ্চিম হরিণমারা গ্রামে ২টি কুতুপালংয়ে ২টি সহ মোট  ৪টি দালান বাড়ি ঘর রয়েছে।

কালো টাকার প্রভাবে রোহিঙ্গা হয়েও  কাউকে পরোয়া না করে অনেক কে  নির্যাতন সহ নিরীহ মানুষ তার নানা অপকর্মে হয়রানীর শিকার হচ্ছে । পাশাপাশি হরিণ মারা এলাকায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর বাহিনীর হুমকি প্রদান করে ভূমি দখল করতে যাচ্ছিল। তা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে  কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে একদল ভাড়াটিয়া  রোহিঙ্গা ডাকাত গ্রুপের সদস্য এনে জমির মালিক ছৈয়দ নুরকে অপহরণসহ হত্যার হুমকি দেয়। একই সাথে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ এর অপচেষ্টা চালায়। প্রতিবাদ ও বাঁধা দিতে চাইলে জানে মেরে ফেলতে হামলা চালায়। এতে রক্ষা পেতে নিজে ছেলে, স্ত্রী, বিধবা বোন নিয়ে গ্রাম ছেড়ে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

কয়েক বছর পুর্বে তাঁর ভগ্নিপতি খাইরুল হককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে এবং জাদুটোনার মাধ্যমে মেরে ফেলেছে বলে জনস্বীকৃতি রয়েছে। বর্তমানে খাইরুল হকের বউকে মেরে ফেলে বাড়ি ভিটা জবর দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে ০৮/১১/২০২০ তারিখ অসহায় ছৈয়দ নুর ও জাদুটোনায় মৃত খাইরুল হকের অসহায় বিধবা স্ত্রী শামসুর নাহার কক্সবাজার পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনোয়ারের মুটোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করতে চাইলে সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।