কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু – পুঁথি

মাস্টার শাহ আলম

রাগ পয়ার
‘কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু’ এই শিরোনামে।
গ্রন্থ এক পাওয়া গেল কহি এ অধমে।
২০২০ সালের ১৭ই মার্চ।
‘কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু’ হইল প্রকাশ
লেখক কালাম আজাদ পরিচিত জন।
‘কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধু’ লেখিল যেমন
বহুত সমীক্ষা আর তথ্য সমন্বয়ে
পরিচ্ছন এই পুস্তক কহি সবিনয়ে
বহুবার বঙ্গবন্ধু আসেন কক্সবাজার।
পুস্তকে বর্ণিত আছে যেমন প্রকার।
অনুরূপ লেখি আমি পয়ারের সুরে।
ভুলক্রুটি ক্ষমা চাহি গুণীর দরবারে।
বঙ্গবন্ধু মহান নেতা জানে বিশ^ময়
বাংলাদেশের স্বাধীনতা তাঁর কথা কয়।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়।
সফর করেছেন তিনি গ্রন্থে জানা যায়।
যেথা যায় ইতিহাস হয় উন্নয়নে
নিবেদিত ছিলেন তিনি মানব কল্যাণে
রাজনৈতিক জীবনে তিনি করেন এই সফর
আত্মজী জীবনী তাঁর জানায় এই খবর।
নিজ দল আওয়ামী লীগের পুনর্গঠনে
সারাদেশ চষে বেড়ান জানে সর্বজনে।
সরকারি বেসরকারি গ্রাম-গ্রামান্তর
চষে বেড়িয়েছন তিনি সার্বিক খবর
অনুরুপে কক্সবাজারে আসেন বহুবার
তাহার ফিরিস্তি দেব এখানে একবার।
প্রাপ্ত তথ্যে জানায় যায় এমত প্রকার।
১৯৫৪ সালে প্রথম আসেন কক্সবাজার।
যুক্তফ্রুন্টের নির্বাচনে প্রচার লাগিয়া
কক্সবাজারে আসেন তিনি নিবেদিত হইয়া
১৯৫৫ সালের ৩-৪ জুন
আওয়ামী মুসলিম লীগের বিস্তৃতি বর্ধন
২১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন সপ্তাহ
ঈালন এবং প্রচারণায় হইয়া উদ্যোক্তাহ
কক্সবাজার আসেন তিনি জানিও এ খবর
জনসভায় যোগ দেন এইতো শহর
চকরিয়া-কক্সবাজার এই দুই-ই জায়গায়
জনসভা করেন তিনি তথ্যে জানা যায়
ভিলেজ এইড দপ্তরের মন্ত্রী থাকাকালে
কক্সবাজারে আসেন তিনি ১৯৫৬ সালে
পর্যটন ঢেলে সাজাইতে মন্ত্রীবর।
এসেছিলেন কক্সবাজার মোদের শেখবর।
উদবোধন করেন তিনি পর্যটন সেন্টার
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিন এই কর্ম তার।
১৯৫৮ সালের তথা পাকিস্তানের
জাতীয় পরিষদ সদস্য আর পূর্ব পাকিস্তানের
টি বোর্ডের চেয়াম্যানের থাকিয়া দায়িত্বে।
বন সম্পদ রক্ষা আর স্বাস্থ্যনগর গড়তে।
কক্সবাজার শক্তিশালী পর্যটন কেন্দ্র করিতে।
এ প্রত্যয়ে আসেন তিনি কক্সবাজারেতে।
এই সমে কালো সোনা খ্যাত ইনানীতে
আসেন তিনি জানা যায় এই গ্রন্থেতে।
১৯৬২ সালে নেতা শেখ বর।
কক্সবাজার এসেছিলেন রাজনৈতিক সফর
গণতন্ত্রের মানসপূত্র সোহরাওয়ার্দীর সনে।
এনডিএফ গঠন আর দলের কার্যদর্শনে॥
এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু কক্স-এ-শহর
গ্রন্থ পাঠে জানা যায় এই তো খবর।
১৯৬৪ সালে শেখ মুজিবর
পুনঃরপি কক্সবাজার করেন সর্ফ॥
নিজ দলের প্রচার করণ
নিজ দলের পুনর্গঠন, কমিটি গঠন।
এই হেতু আসে তিনি লেখেন গ্রন্থকার
জাতির পিতার পরশধন্য কক্সবাজার॥
১৯৬৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর
গংগঠিত হয় এক ভয়ঙ্কর ঝড়
এই ঝড় বহমান ছিল দুই দিন
১৫ তারিখ বিপর্যস্ত ছিল সর্বাঙ্গীন
সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত এলাকা
পরিদর্শন করতে আসেন বাংলার প্রাণসখা।
১৯৬৬ সনে ২৭ মার্চ
বঙ্গবন্ধু কক্সবাজার আসেন প¦ার্শ
কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির জনসভা করন
জাতির মুক্তির সনদ ৬দফা প্রচার করন
১৯৬৯ সালে শেখবর
কক্সবাজারবাসীদের প্রাণের দোসর
নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নিতে তিনি
পুনরায় আসেনা হেথা জানেন সব জ্ঞানী।
তারপরে ১৯৭০ সালে নির্বাচন প্রচারে
এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু কক্সবাজারে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে
নির্বাচনী প্রচারণায় আসেন স্বদল বলে
সমৃদ্ধশালী পর্যটন শহর গঠন
উন্নয়ন কার্যক্রম করতে বিলক্ষণ
আসেন তিনি কক্সবাজার উদ্দেশ্য মহান
বাঙালির মহান শেখ মুজিবুর রহমান।
বাকশাল পদ্ধতি চালু করিবার পর
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর
১৯৭৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
রাষ্ট্রীয় সফরে আসেন শুনেন ধৈর্যধরি॥
৩ দিনের সফরে এসে বঙ্গবন্ধু শেখ।
কক্সবাজারের উন্নয়নের উদ্যোগ নিলে
তার সময়ের বাস্তবায়ন হয়েছে অনেক
এই সময়ে বাকি সব হচ্ছে যে সম্মুখ
উন্নয়নের কর্মসূচি তার যাহা ছিল
শেখ হাসিনার পরশধন্য কক্সবাজার হল।

লেখক : লোকসাহিত্য সংগ্রাহক, কবি ও নাট্যকার।
উখিয়া, কক্সবাজার। 

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।