কক্সবাজার

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ঝাউবন রক্ষায় পরীক্ষামূলক কাজ শুরু  

শাহ্ মোহাম্মদ রুবেল, কক্সবাজার : বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডব থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ঝাউবাগান রক্ষায় জিও টিউব ও বস্তা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে ডায়াবেটিকস পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করে জিও টিউব ও বস্তা দিয়ে ঝাউবাগান রক্ষার কাজ চলছে।

‘বিলীনের পথে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত সৈকতের ঝাউ বাগান’ শিরোনামে ১৪ জুলাই দৈনিক অধিকারে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তৎপর হতে দেখা গেছে।

পাউবো সূত্রে একটি সূত্র জানায়, চলতি বর্ষা মৌসুমে সৈকতের উত্তাল ঢেউয়ের থেকে ঝাউবাগান রক্ষায় পরীক্ষামূলকভাবে অস্থায়ী এ ঝাউবাগান রক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। পাউবোর অর্থায়নে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই কাজ করছে। এক মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪ লাখ টাকা।

ডায়াবেটিকস পয়েন্ট থেকে লাবণী পয়েন্টে ঝাউবাগান ক্ষতিগ্রস্তের কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে। সৈকত এলাকার প্রায় ১ হাজার ৪০০ মিটারে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও টিউব ও বস্তা দিয়ে প্রাথমিকভাবে ঝাউবাগান রক্ষা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। সেই সঙ্গে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখার সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের ঝাউবাগান রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর রয়েছে।

গত ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুষ্ঠিত সভায় ঝাউবন রক্ষা ও আরও বাগান সৃজনের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সৈকতের ঝাউবাগান বিলীনরোধে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে সময় লাগবে। তাই পরীক্ষামূলক জিও টিউব এবং জিও বস্তা দিয়ে সৈকত রক্ষার চেষ্টা চলছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা জানান, কাজটি আমরা পরীক্ষামূলকভাবে করছি, স্থায়ীভাবে করার জন্য বড় একটি প্রকল্প তৈরি করে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আমরা আশা করি প্রকল্পটি পাশ হলে কক্সবাজারের ঝাউবাগান রক্ষায় স্থায়ীভাবে কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।