টেকনাফপ্রধান সংবাদ

কমছেনা পেঁয়াজের ঝাঁজ

পেঁয়াজ। ফাইল ছবি

রাইজিং কক্স ডেস্ক : মায়ানমারসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ। এসব পেঁয়াজে সয়লাব শহরের বড় বাজার। বাজারের প্রত্যেক দোকানের খাঁচিতে বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে পেঁয়াজগুলো। তবুও পেঁয়াজের ঝাঁজ কমেনি। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানও কোন কাজে আসেনি। শহরে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে।

তবে, তুরস্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিকৃত বড় সাইজের পেঁয়াজের দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। লোকসান কমাতেই বড় সাইজের পেঁয়াজের দাম কমানো হচ্ছে। শুধু কক্সবাজার নয়। চট্টগ্রামেও বড় সাইজের পেঁয়াজের দাম কমছে। বড় বাজারের একটি পেঁয়াজের আড়তের এক কর্মচারি এই তথ্য জানালেন।
জানা গেছে, সাধারণত ঘরে বড় সাইজের পেঁয়াজের ব্যবহার হয় না। রেস্তোরাঁগুলোই এসব পেঁয়াজের প্রধান ক্রেতা। কিন্তু পেঁয়াজের দাম বাড়ার সাথে সাথে রেস্তোরাঁয় ব্যবহার কমানো হয়। ফলে আগের মতো বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে না। এদিকে, বিক্রির আশায় বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। সেসব পেঁয়াজে এখন পচন ধরেছে। ইতোমধ্যে পচে যাওয়া অনেক পেঁয়াজ ফেলেও দিতে হয়েছে। বাকি পেঁয়াজ বিক্রি করে যাতে কিছু টাকা হলেও আয় করা যায়। সেই আশাতেই বড় সাইজের পেঁয়াজের দাম কমিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে, এই পেঁয়াজের ক্ষেত্রেও পাইকারি বাজারের সাথে খুচরো বাজারের মূল্যে রয়েছে বিস্তর তফাৎ।

গতকাল রাতে শহরের বড় বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে মায়ানমার থেকে আমদানিকৃত ছোট সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৯০ টাকায়। অন্যদিকে বড় সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০ টাকায়। পাইকারি বাজারে ছোট সাইজের পেঁয়াজ বিক্রি হয় প্রতি কেজি ১৭৫ টাকায়। আর বড় সাইজের পেঁয়াজের মূল্য ছিলো ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। শহরের অলি-গলির দোকানগুলোতেও নেয়া হচ্ছে বেশি দাম। ২০০ থেকে ২১০ টাকায় এসব দোকানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে।