করোনা পরবর্তী বিশ্ব: বাংলা ভাষা—আঞ্চলিক ও প্রমিতযোগ ২

আজিজ কাজল

এই ভাটির দেশের নদীগুলো জালের মতো বিস্তৃত হয়ে ছড়িয়ে দিয়েছে বহু-মিশ্র সম্ভাবনা, ভালবাসা ও আবেগ। বাংলা ভাষাও তার নিজস্ব ধ্বনি-বর্ণ-শব্দ-বাক্য (আকর বহু-কিছুকে ধারণ করে) নিয়ে প্রবহমান নদীর মতো আরো বেশি শক্তিশালী ও পরিণত হয়েছে। ব্রিটিশ বেনিয়ারা তাদের শাসন ব্যবস্থাপনাকে আরো বেশি পোক্ত করার জন্য বাংলার বাঘা বাঘা শিক্ষিত পণ্ডিতের সহযোগিতায় ব্রিটিশ প্রবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থার দ্বার উন্মোচন করে। বিশেষ করে হিন্দু কলেজ, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মধ্য দিয়ে (বৃহত্তর বঙ্গে) বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশ তথা আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামোগত বিকাশেরও শুরু হয়।

ইউরোপের শিল্প বিপ্লব-পরবর্তী বাংলার বস্তুগত জীবনেও আসে (আচরিত ভাষা ও প্রমিত ভাষা-ব্যাকরণসহ) অনেক বিষয়ের একটা ধীর-পরিবর্তন। এভাবে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ভীত মজবুত হত শুরু করে। বাংলার প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। মধ্যযুগের শ্রীকৃষ্ণকীর্তনসহ ধীরে ধীরে সংস্কৃত-ঘেঁষা বাংলা, সাধু মিশ্রণ থেকে আস্তে আস্তে তার অবগুণ্টন সরাতে থাকে। ভাষার মধ্যে (তৎসম-অর্ধতৎসম-তদ্ভব-দেশি-বিদেশি শব্দের) প্রচুর মিশেলসহ সরাসরি সাধু ভাষা, সাধু-চলিতের মিশ্র-প্রবণ ভাষার ব্যবহার এখন আর নেই বললেই চলে। এখন বাংলা ব্যাকরণ বানান-উচ্চারণ রীতিসহ তার নিজস্ব একটা স্বকীয়তায় সমুজ্জ্বল। এবং ধীরে ধীরে সে প্রযুক্তি-প্লাবিত ভাষার অনেক বিষয়-আশয় আয়ত্ত করে নিজ বিকাশে সচল ও সক্রিয়। ধ্বনিতত্ত্ব ও রূপতত্ত্বে সংস্কৃতের প্রভাব অন্যদিকে ইউরোপীয় বাক্যতত্ত্বের সরাসরি প্রভাবে (সময়কে ধারণ করে) বাংলার অনবদ্য বিকাশ থেমে নেই।

আগে গ্রামে গঞ্জে চলাচলের বাহন ছিলো নৌকা। নদী পারাপারে ঘাটে বাধা থাকতো শতো শতো নৌকা। এখন নাগরিক জীবন। আমরা দেখি সম্পূর্ণ আলাদা চিত্র। রাস্তা পারাপার বা চলাচলে মোড়ে মোড়ে এখন দেখি বাস টেম্পো-রিকশা, প্রাইভেট কার ইত্যাদি। সুতরাং নদীমাতৃক এই বঙ্গে একসময় নদীর ঘাটে নৌকার মাঝিরা বসে থাকতো কাস্টমারের জন্য। আর এখন রাস্তার এক পাড়ে নিদিস্ট জায়গায় শতো শতো রিকশা-বাস-টেম্পো বসে থাকে কাস্টমারদের অপেক্ষায়। যদিও শহরে বড়ো কোন জলাশয়, নদী বা উপনদী বলে কিছু নেই। অনেক শহরের নদী, পাহাড়, জলাশয়, ভরাট করে সংকুচিত হয়ে ময়লাযুক্ত খাল হয়ে গেছে; এখন তা বড় নর্দমা বা ড্রেন বলে পরিচিত।
বাংলা ভাষাও ঠিক তেমন—তৎসম শব্দবহুল পুরনো সাধু ভাষা এবং সাধু ঘেঁষা গুরু-গম্ভীর ভাষাও উঠে গেছে। শিল্প সাহিত্য কবিতায়ও (ভাষায় সংস্কৃত শব্দ থাকলেও) এখন আমরা দেখি চলিত ভাষার ব্যবহার। অন্যদিকে শুরু হয়েছে ডিজিটাল ভাষা (মিক্স) বা প্রাযুক্তিক ভাষা। আমি মনে করি মিক্সড ভাষায় কিছুটা জটিলতা দেখা দিলেও প্রমিত ভাষার কাঠামোতে এসে অনেক ভাষা আর মিক্সড ভাষা হতে পারছে না। নতুন নতুন শব্দ বা ধ্বনির অর্থ হিসেবে বাংলা ভাষাতেও সে যোগ করতে চাইছে নানা প্রবণতা। মোটা দাগে আমি মনে করি এতে করে বাংলাভাষা সমৃদ্ধ হচ্ছে। কারণ সহজাতভাবেই বাংলা ভাষার রয়েছে দারুণ শোষণ ক্ষমতা। সে অন্যভাষার অন্য শব্দকে সহজেই আপন করে নিতে পারে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা-গ্রাম-মহল্লাগুলোতেও প্রমিত-ঘেঁষা আঞ্চলিক বাংলা,
তৎসম-অর্ধতৎসম-তদ্ভব-দেশি-বিদেশি শব্দের
ব্যবহার রয়েছে। যদিও টিউন বা এক্সেন্টে আপাত কিছু পার্থক্য আছে। যেমন ঝুলানো, টাঙানো, লটকানো। এই শব্দের আধুনিক এবং প্রমিত হচ্ছে টাঙিয়ে দেয়া, টাঙানো বা টানানো। যেমন সেপ শব্দটা ইংরেজি শব্দ। যেটা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক শব্দে থু (থুথু) হিসেবে প্রচলিত। ফেড়ের ফেড়ের বৃষ্টি; মানে ইংরেজিতে ফ্যাটর ফ্যাটর। যেমন এদিকে আসো, বাক্যটি ইয়ানো আয়, ইন্দি আয়, এডে আয় বা এণ্ডে আয়। ছেলে শব্দটা যেমন বিভিন্ন জেলায় একেকরকম—পুলা, পোলা, ছাওয়াল, ছাওয়া, পুয়াইন্দে, পুয়াক্কল ইত্যাদি। বাইরের বহুভাষী মানুষের অনুপ্রবেশের কল্যাণে চট্টগ্রামের ভাষাতেও আছে প্রচুর আরবি-ফারসি-উর্দুর মিক্স। যেমন, ন-হাইয়ুম বা ন-খাইয়ুম, ন-যাইয়ুম, ন-গইজ্জুম ইত্যাদি। যা কুরআনে আলিফ, লাম, মিম এর উচ্চারণ প্রভাবিত।

অপেক্ষাকৃত নিচু বা নিম্নাঞ্চলীয় এলাকাভিত্তিক ভূগঠনের কারণে, বাংলাদেশকে ভাটির দেশ তথা বদ্বীপ বলে। ভূগোল, পরিবেশ-পরিপার্শ্ব, আবহাওয়া, নদ-নদী-হৃদ-খাল-বিল-জলা-জংলার যে গঠন; এর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মানুষের রুচি-শুচি থেকেও বস্তুগত বিষয়ের অনেক ভিন্নতা এই ভাটি বঙ্গেও আমরা দেখি। যেমন নদীতে চলাচলের যে নৌযান আছে, মোটাদাগে কমন নামগুলোর পাশাপাশি কিছু নামে আছে ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য। যেমন নৌকা-নাও-সাম্পান-ছৈ-পানসি ইত্যাদি। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের রূচি ও সাইজভেদে প্রাকৃতিকভাবেই এগুলোর নামকরণ ও শিল্পীত-রূপ দেখা যায়। সাহিত্যের বেলায় মোটাদাগে ময়মনসিংহ গীতিকার কথাও বলতে পারি। বৃহত্তর ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বাংশে নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলার (হাওর-বাওড় সংস্লিষ্ট) মানুষের জীবন বৈচিত্র্যের আবেগ থেকেই উঠে এসেছে
মৈমনসিংহ গীতিকা। এই গীতিকা বাংলা ছাড়িয়ে বিশ্বের প্রায় তেইশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

এবার আসি ব্যাকরণের সরাসরি কিছু বিষয়ের আলোচনায়। আগেও বলেছি বাংলা ব্যাকরণে আমরা যদি একটু চোখ বুলাই, তাহলে দেখতে পাই নিজভাষার শব্দভাণ্ডারসহ বর্হিভাষা থেকে নেয়া হয়েছে প্রচুর ঋণ। এই বহু-বৈচিত্র্যতার কারণসহ আছে তৎসম-অর্ধতৎসম-তদ্ভব, দেশি-বিদেশি শব্দ ব্যবহারের নানাবিধ বাস্তবতা। এভাবে ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়ে আমরা পাই ধ্বনি, শব্দ, বাক্য, অর্থ নামে চারটি মৌলিক অংশ। আবার এই ভাষার তত্ত্বগত জায়গা থেকে পাই ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব (রূপতত্ত্ব), বাক্যতত্ত্ব, অর্থতত্ত্ব ইত্যাদি। ব্যাকরণের এই তত্ত্বীয়-রূপের ভেতরেই আছে সবগুলো বিষয়ের পঙ্খানুপঙ্খ আলোচনা। মোটাদাগে বললে
যে ক’টি অংশ বাংলার শব্দভাণ্ডার গঠনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে তা হলো, সন্ধি, সমাস, প্রকৃতি ও প্রত্যয়। সাহিত্যের নানা ঘরাণাসহ বাংলা ভাষায় তৈরি হয়েছে (ললিতকলার বিভিন্ন অনুষঙ্গসহ) প্রবাদ-প্রবচন-জোড়াশব্দের মতো অনেকগুলো বিষয়ের বহুল চর্চার প্রবণতা। এবং নতুন হিসেবে এর সাথে যুক্ত হচ্ছে ডিজিটাল শব্দ বা প্রযুক্তি শব্দ-বহুল বাংলা ভাষার ব্যবহার। ডিজিটাল বা প্রযুক্তি প্রভাবিত শব্দগুলো আক্ষরিক অর্থে বাংলা ভাষার জন্য ঝামেলার মনে হলেও (বোধগম্যতা বিচারে) অর্থ-মাধুর্য এবং ধ্বনি-মাধুর্য থাকার কারণে তা মূল ভাষা-কাঠামোর অংশ হয়ে যাচ্ছে।

আকাশ সংস্কৃতির অবাধ মিশ্রণের ফলে বাংলার সংস্কৃতি এবং ভাষা-সংস্কৃতিতেও আসছে নানা পরিবর্তন, যোজন-বিয়োজন। প্রযুক্তিকে আমরা যেমন অস্বীকার করতে পারবো না, তেমনি পারবো না একে সরাসরি গ্রহণ করতে বা বর্জন করতে। তাই ডিজিটাল ভাষা বা প্রযুক্তিভাষা তার নিজ ক্ষমতা বলেই বাংলায় যতোটুকু থাকার থাকবে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে জাতীয়তাবোধ এবং মূল্যবোধের জায়গা থেকে বিষয়গুলোকে গ্রহণ করার উদারতাকে মেনে নেয়া। এভাবে অঞ্চলভেদে প্রত্যেক মানুষের আঞ্চলিক ভাষা তথা মাতৃভাষার শব্দব্যঞ্জনা আছে; প্রমিতভাষার কাঠামোর ভেতরেই যার বসবাস। প্রমিতভাষার ভেতরেই বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন এক্সেন্ট, উচ্চারণ বা ভঙ্গি দেখা যায়। এভাবে বাংলা ভাষার নতুন পরম্পরায় অনেক ধরণের মিশ্রণ আমরা দেখতে পাই। ভাষা নিয়ে কেতাবী বা ট্র্যাডিশনাল আলোচনার কিছুটা বিপরী
তে আমার অবজারভেশন হিসেবে তা এমন—

১.বাংলা ভাষায় কিছু ভাষা আছে বিজ্ঞাপনের ভাষা।
যা প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে সরাসরি সবার বোধগম্য বা সর্বজনীন হয়েছে।

২ বাংলা ভাষায় কিছু ভাষা আছে দৈনন্দিন-আচরিত বা ব্যবহৃত অঞ্চলের উচ্চারিত রূপের ভাষা।

৩.কিছু ভাষা আছে প্রযুক্তি শব্দ-সঞ্জাত বা ডিজিটাল ভাষা। যা কিছুটা বাংলিশ বা প্রমিত ভাষার কাছাকাছি।

৪.কিছু ভাষা আছে বিভিন্ন অঞ্চলের আচরণের মজ্জাগত ধ্বনি বা শব্দ-সঞ্জাত ভাষা। যা বইয়ের ভাষা বা প্রমিত বাংলার একদম নিকটবর্তী।

৫.কিছু ভাষা আছে অঞ্চলভিত্তিক ও জাতীয় পাঠ্যসূচী প্রভাবিত ভাষা। এই ভাষার জেনারেশনরা বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের ভাষার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে (স্থানান্তরসহ) নিজস্ব একটা মিক্সড ভাষা তৈরি করেছে।

এ ছাড়াও বাংলা ভাষা সাহিত্য-কবিতা-গদ্য-পদ্য-লোকগান-মরমিগান-পালা-গান-আধ্যাত্ম-অধ্যাত্মসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক বা লোক সাহিত্যের মতোই সমৃদ্ধ। এই বৈচিত্র্য থেকে সে নানা রস ও রূপ সংগ্রহ করে চলেছে। সামান্য আরেক উদাহরণে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার কিছু সম্বোধনে উচ্চারণ এবং এক্সেন্ট যেমন—কিছু খেয়েছে কি না এই সম্বোধনে—ভাত হাইয়ুছ? (চট্টগ্রাম) ভাত খ্যাছিস?(রাজশাহী) ভাত খ্যাচো? (চাঁপাই) ভাত খাইতে আছো? (বরিশাল), ভাত খওরি? (নোয়াখালী) ভাত খাইচোস নাকিরে গ্যাদা? (সিরাজগঞ্জ) ভাত খাইয়ালাইছোস? (পুরাণ ঢাকা) ভাত খাইছছ নিরে ফুত? (সিলেট) ইত্যাদি।

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাংলার বিকাশ যেমন ঘটছে তেমনি অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবেও ঘটছে বাংলার দারুণ বিকাশ। অপ্রাতিষ্ঠানিক ভাষার নানা শব্দ-বচন একটা অঞ্চলের আঞ্চলিক বা লৌকিক ভাষাকে যেমন সমৃদ্ধ করছে তেমনি বিভিন্ন অঞ্চলের এই লৌকিক ভাষা প্রমিত বাংলাকেও (চিত্রকল্পগত বা দৃশ্যগতসহ) নানাভাবে সংরক্ষণ করছে। কেননা বাংলাভাষাভাষীরা (প্রবাসী ছাড়াও) পেশাগতভাবে বা জীবনবৃত্তির নানা বাস্তবতায় দেশের এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাচ্ছে। তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে। খাওয়া-দাওয়া, চলা-ফেরা, রুচি-শুচি-অভ্যাসে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গার মানুষের সাথে ভাষাগত নানা শব্দের আবেগ, রূচি-পছন্দের (বিবিধ বিনিময়সহ) সাংস্কৃতিক বিনিময় হচ্ছে। আঞ্চলিক ভিন্নতা থাকার পরেও এসব আঞ্চলিক ভাষাগুলো প্রাতিষ্ঠানিক মূল ভাষা-কাঠামোর (রূপ-বৈচিত্র্যের) বোধগম্যতার জায়গাটাকে আরো সমৃদ্ধ করছে। প্রাণ দিচ্ছে । এ বিষয়ে নোয়ামচমস্কি, সেই ষাটের দশক থেকে বলে আসছেন মানবশিশু একটি ভাষাঅঙ্গ নিয়েই বেড়ে ওঠে। অঙ্গটির নাম দিয়েছেন বিশ্ব-ব্যাকরণ। জন্মের পর থেকেই সে, ১০ থেকে ১১ বছরের মধ্যে কোন একটা ভাষার ইনপুট, শব্দ-বাক্য দিয়ে সচল করে নিতে হয়। সারা বিশ্বে এখন প্রায় চব্বিশ/পঁচিশ কোটি বাঙালির বসবাস। দৈনন্দিন ভাষা, একাডেমিক শিক্ষাসহ বিভিন্ন ভাষার মানুষের কাছে নানা বৈচিত্র্যে (আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতিসহ) তুমুলভাবে প্রচার পাচ্ছে।
সময়ের সাহসিকতায় এই বাংলা একদিন ইংরেজির মতো একটি অপ্রতিরোধ্য লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা হয়ে ওঠবে সেই কামনা। (চলবে..)

লেখক : কবি প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।