চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ মামুনের দ্বিতীয় দফা অপারেশন সম্পন্ন

শাহ্ মুহাম্মদ রুবেল : চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী একটি সৌদিয়া পরিবহন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে ফিল্মি কায়দায় দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ মামুনের দ্বিতীয় দফা অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।

আজ ১৫ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে (২৪ ওয়ার্ড) এই অপারেশন সম্পন্ন হয়। সার্জারি বিভাগের সহকারী রেজিস্টার ডাঃ রাজীব কুমার দের নেতৃত্বে একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এই অপারেশনে অংশ নেন।
দ্বিতীয় দফা অপারেশনে মানুনের পেঠে আটকে থাকা বুলেট বের করা হয়েছে বলে জানান তাঁর বড়ভাই কামরুল ইসলাম শাকিল।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর গুলিবিদ্ধ মামুনের প্রথম দফা অপারেশন সম্পন্ন হয়। সার্জারি বিভাগের আর এক সহকারী রেজিস্টার ডাঃ মোঃ সালাউদ্দিন প্রথম দফা অপারেশনের নেতৃত্বে দেন। টানা পাঁচ ঘণ্টা অপারেশনে পেঠের ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন অংশ সেলাই করা হলেও বুলেট বের করা সম্ভব হয়নি। একারণে দ্বিতীয় দফা অপারেশনের প্রয়োজন হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর শুক্রবার ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া ফাঁসিয়াখালী পাহাড়ি ঢালায় এই ঘটনা সংঘটিত হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ মামুনকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ফিল্মি কায়দায় দূর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত সশস্ত্র ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যা ব। এসময় তাদের কাছ থেকে লুট করা মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- কক্সবাজার জেলার নাইক্যংদিয়ার হায়দার আলীর ছেলে মো. ইয়াহিয়া প্রকাশ জয়নাল (২৬), একই জেলার ফরিদুল আলমের ছেলে ছলিম উল্লাহ (৩৩), মো. শাহাজাহানের ছেলে ছাবের আহমেদ (২৯), হাছন আলীর ছেলে আবুল কালাম (৩০) শাহ আলমের ছেলে শাহ আমান প্রকাশ বাটু (২৮) ও চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার মোহাম্মদ বদরুদ্দোজার ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (২৫)।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।