টেকনাফে ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদন : থেমে নেই সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার। মিয়ানমারের জলসীমা পেরিয়ে বাংলাদেশ ঢুকার আগে ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। তবে এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।

রবিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে অভিযান চালানো হয়।

সোমবার রাতে এ সংবাদ জানিয়েছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান।

তিনি জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদরের সার্ভার রুমের সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম দ্বারা গত ১৭ জানুয়ারি রাতে হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ আনোয়ার প্রজেক্ট থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ দক্ষিণে এবং বিআরএম-১২ থেকে ১ কিলোমিটার দক্ষিণ দিক দিয়ে চৌধুরীপাড়া দ্বীপ (খরেরদ্বীপ) থেকে কিছু ব্যক্তি হস্তচালিত নৌকাযোগে মিয়ানমার হতে আসতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে বিশেষ টহল কমান্ডারকে বিষয়টি অবগত করা হয়। অনতিবিলম্বে বিজিবির টহলদল উল্লেখিত স্থানে গমন করে।

বিজিবির টহলদল ওই স্থানে পৌঁছার পূর্বেই নৌকা থেকে ২ জন ব্যক্তি ১টি প্লাস্টিকের বস্তা মাথায় করে বেড়ীবাঁধের নিকটস্থ আনোয়ার প্রজেক্টের কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রমরত অবস্থায় দেখে। তাৎক্ষণিকভাবে টহলদল তাদের ধরার জন্য অগ্রসর হয় এবং চ্যালেঞ্জ করে। টহলদলের উপস্থিতি অনুধাবন করামাত্র চোরাকারবারীরা বহনকৃত বস্তাটি ফেলে আনোয়ার প্রজেক্টের ভিতর দিয়ে দ্রুত পার্শ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল উল্লেখিত স্থানে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে ১টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃত বস্তার ভিতর হতে টহলদল ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৮০ হাজার টি ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, ইয়াবা কারবারীকে আটকের ১৮ জানুয়ারি রাতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু কোন পাচারকারী বা তাদের সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

তিনি জানান, আনোয়ার প্রজেক্টের কর্মচারী ব্যতিত অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায় নি, ইয়াবা কারবারীদের সনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি।
তবে, মাদক কারবারি সনাক্ত করার জন্য ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।