খেলাধুলা

ঢাকার বিপক্ষে ৯ উইকেটের জয় পেল রাজশাহী

ম্যাচের একটি মূহুর্ত। ছবি: সংগৃহীত

ক্রীড়া ডেস্ক, রাইজিং কক্স : ব্যাটিং দেখেই বোঝা গিয়েছিল কপালে দুঃখ আছে মাশরাফি-তামিমদের। শেষ পর্যন্ত তাই হলো। লিটন দাস আর হজরতুল্লাহ জাজাইয়ের ব্যাটিং দাপটে ১০ বল এবং ৯ উইকেট হাতে রেখে বিশাল জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী রয়্যালস। এই জয়ে অবদান আছে শোয়েব মালিকেরও। আফগান তারকা জাজাই করেছেন অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি। লিটন খেলেছেন ২৭ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস।

১৩৫ রানের মামুলি টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহীকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন লিটন দাস আর জাজাই। বেদম মার খেয়েছেন ব্যাট হাতে ‘ডাক’ মারা শহিদ আফ্রিদি। ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ২৭ বলে ৪ চার ২ ছক্কায় ৩৯ রান করা লিটনের বিদায়ে। এরপর শোয়েব মালিককে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন জাজাই। এই আফগান ৪৭ বলে ৫ চার ৩ ছক্কায় ৫৬* রানে অপরাজিত থাকেন। আর শোয়েব মালিক অপরাজিত থাকেন ৩৬ বলে ৩৬ রানে। একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন মেহেদি হাসান।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে ঢাকা প্লাটুন। দলীয় ১৫ রানে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালকে (৫) আফিফ হোসেনের তালুবন্দি করেন আবু জায়েদ রাহী। লরি ইভান্স ফিরেন ১৩ রানে। তবে অপর ওপেনার এনামুল হক বিজয় খেলেন ৩৩ বলে ৩৮ রানের ঝলমলে এক ইনিংস। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ অলক কাপালির বলে মিনহাজুল আফ্রিদির তালুবন্দি হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন তিনি।

রবি বোপারা এবং লিটন দাসের ক্ষিপ্রতায় জাকের আলী (২১) রান-আউট হতেই ধস নামে ঢাকার ব্যাটিং লাইনআপে। মারকুটে ব্যাটসম্যান থিসারা পেরেরা ১, আরিফুল হক ৫ এবং ‘ডাকমাস্টার’ খ্যাত পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি ‘ডাক’ মেরে ফিরেন। মেহেদি হাসান ৬ রানে রান-আউট হওয়ার আগে ১৪টি বল নষ্ট করেন। ওয়াহাব রিয়াজ ১৮ রানে আবু জায়েদের শিকার হন। শেষে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ১০ বলে ২ ছক্কায় অপরাজিত ১৮* রান করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৪ রান তুলতে সক্ষম হয় ঢাকা।