জাতীয়প্রধান সংবাদ

‘ঢাকায় মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠানে আসছেন মোদি-সোনিয়া-ট্রুডো-মাহাথির’

রাইজিং কক্স ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ মুজিব বর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ জায়েদ আল নাহিয়ান, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, ভারতের কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী এবং জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনও মুজিব বর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।,

রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মঙ্গলবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদ্যাপন সাবকমিটির বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই মুজিব বর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে যোগদানের বিষয়ে তাঁদের (মোদি, ট্রুডো, মাহাথির, নাহিয়ান, প্রণব, সোনিয়া গান্ধী ও বান কি মুন) সম্মতি পেয়েছি। তবে তাঁদের কে কত তারিখে ঢাকায় পৌঁছাবেন, এ বিষয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘কয়েকজন বিশ্বনেতা ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং আর অন্যরা মার্চ ২০২০ থেকে মার্চ ২০২১ সালের মধ্যে অনুষ্ঠিত অন্যান্য অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। আমরা চাই না ১৭ মার্চের অনুষ্ঠানে অনেক বিশ্বনেতা যোগ দিক, আমরা চাই অনধিক চার–পাঁচজন নেতা এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিক, অন্য বিশিষ্ট অতিথিরা অন্যান্য অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে বিদেশে বাংলাদেশের ৭৭টি মিশন তাদের নিজ নিজ স্বাগতিক দেশে ২৬১টি অনুষ্ঠান করবে। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাই। বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের বন্ধুই নন, তিনি সারা বিশ্বের সকল শান্তিপ্রিয় মানুষের বন্ধু ছিলেন।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুজিব বর্ষব্যাপী মুজিবাদর্শ তুলে ধরা ছাড়াও সরকার চায় এ সময়ে বিশ্বব্যাপী এমন এক নতুন বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করতে, যে বাংলাদেশ হচ্ছে অপার সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার এক গতিশীল অর্থনীতির দেশ।

আব্দুল মোমেন বলেন, তাঁর মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই জার্মানি, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার চালু করেছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বঙ্গবন্ধু সেন্টার স্থাপন করেছে। পাশাপাশি ভারত, তুরস্ক, ফিলিস্তিন ও কম্বোডিয়ার বিভিন্ন নগরীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ মিশনে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হবে।