দৈনিক হিমছড়িতে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ৩০ অক্টোবর দৈনিক হিমছড়ি পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় সোনার পাড়ায় চার সন্তানের জননী উধাও শীর্ষক সংবাদটি আমি নিম্নস্বাক্ষরকারীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে সংবাদকর্মীকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করেছে। আসল ঘটনা হচ্ছে আমি আরেফা আক্তারের সাথে সোনার পাড়ার আলী আহমদের পুত্র আব্দুল মালেক প্রকাশ মালেক সওদাগরের সাথে বিয়ে হওয়ার পর আমাদের সংসারে তিন ছেলে এক মেয়ে জন্ম নেন। চলিতি ২০২০ সাল থেকে আব্দুল মালেক ও তার ছোট ভাই আব্দুল খালেক আমাকে নিয়মিত মারধর করে আসছিল। আমার দেবর আব্দুল খালেকের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে বিভিন্ন অজুহাতে আমার ওপর শারীরিক নির্যাতন করে আসছে। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দফা গত মাসে দু’তিনবার স্বামী ও দেবর মিলে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে।

সর্বশেষ ২৪/১০/২০২০ তারা দুজন মিলে আমাকে অতিরিক্ত মারধর করলে খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার রফিক সাহেব চৌকিদার মারফত আমার পিতাকে খবর দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করে। যাহার প্রমাণপত্র আমাদের হাতে রয়েছে। এমতাঅবস্থায় আব্দুল জব্বার নামের হলুদ সাংবাদিক এর মাধ্যমে পত্রিকায় মিথ্যা ও ভুয়া সংবাদ পরিবেশন করে আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। উল্লেখ্য, যে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়া সহ বিভিন্ন কল্পকাহিনী বানিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আসল ঘটনা হচ্ছে আমার স্বামী আব্দুল মালেক ও আমার দেবর আব্দুল খালেক ইতিপূর্বেও আমার উপর শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি মেম্বার চেয়ারম্যান এর নিকট বিচার করে আমি সংসার করতে আগ্রহী বিধায় আর শারীরিক নির্যাতন করবে না মর্মে অঙ্গীকারনামা দিয়ে সালিস কারদের নিকট হইতে আমার স্বামী আমাকে বাড়িতে নিয়ে যায়। অথচ প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার পর গত ২৪ অক্টোবর আমার দেবর আমাকে মারধর করে স্বর্ণ অলংকার কেটে নিয়ে উল্টো আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী-
আরেফা আক্তার
স্বামী: আব্দুল মালেক
সোনার পাড়া, উখিয়া, ককসবাজার।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।