খেলাধুলা

নতুন কাউকে নেতৃত্বে চান টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব

সাকিব আল হাসান। -ফাইল ছবি

ক্রীড়া ডেস্ক, রাইজিং কক্স : মাত্র ২২ বছর বয়সেই বাংলাদেশের অধিনায়ক হয়েছিলেন সাকিব। সাকিব প্রথম নেতৃত্ব পান ২০০৯ সালে। এরপর নেতৃত্ব থেকে বাদও পড়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে নেতৃত্ব ভার পেয়েছেন ২০১৭ সালে। বাংলাদেশের টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ভার এখন তাঁর কাঁধেই। মাশরাফি বিন মুর্তজা ওয়ানডে থেকে অবসর নিলে তিন ফরম্যাটেই অধিনায়ক হতে পারেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

এবার সেই সাকিবই চাইছেন নেতৃত্বে নতুন কেউ আসুক। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন কাউকে দায়িত্ব দেয়া উচিত মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। দলের অনেক তরুণ ক্রিকেটারই বয়স ২৬-২৭। সাকিবের বিশ্বাস এখন তাঁরা নেতৃত্বের জন্য তৈরি।

দৈনিক ‘প্রথম আলোর’ সঙ্গে আলাপকালে সাকিব বলেন, ‘আমি চাই নতুনদের ওপর দায়িত্ব আসুক। আমরা তো ২০-২২ বছর বয়সে অধিনায়কত্ব নিয়েছি। এখন ওদের বয়স ২৬-২৭ হয়ে গেছে। যতক্ষণ না দায়িত্ব দেবেন, আপনিতো জানবেন না ওদের মধ্যে কিছু আছে কি না। ২২ বছর বয়সে আমাকে যখন অধিনায়ক করা হয়েছিল, কেউ কি জানতো আমার মধ্যে কি আছে বা নেই? সামনে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে।  আগামী ৪ বছর নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা করা উচিত।’

সাকিব জানিয়েছেন, টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত নন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশ দলও ভালো অবস্থায় নেই। বিশ্বকাপে ১০ দলের মধ্যে ৮ নম্বরে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করেছে বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলঙ্কার মাটিতে ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে টাইগাররা।

বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার অনুভব করতে পারছেন এমন অবস্থায় তারই নেতৃত্ব ভার নেয়া উচিত। অধিনায়কত্ব না থাকলে নিজের খেলায় মনোযোগ দিতে পারবেন বলে মনে করেন সাকিব। অধিনায়কত্ব না থাকলে ব্যাটে-বলে দলের জন্য অবদান রাখতে নিজেকে প্রস্তুত রাখছেন তিনি।

‘মানসিক ভাবে আমি টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বের জন্যও প্রস্তুত নই। তবে দলটা এখন ভালো অবস্থায় নেই। নিজেও বুঝতে পারছি, দলটাকে মোটামুটি একটা অবস্থায় আনতে আমি অধিনায়ক হলে ভালো। নয়তো কোনো সংস্করণেই অধিনায়কত্ব করার ব্যাপারে আমি তেমন আগ্রহ পাচ্ছি না। অধিনায়কত্ব না করলে বরং নিজের খেলায় মনোযোগ দিতে পারবো। সেটাও দলের কাজে লাগবে।’