বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস

মনির ইউসুফ

মানব সভ্যতা এগিয়েছে মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই -সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। টিকে থাকার এই পর্বে মানুষ তার বিজয়গাথাকে লিখে রাখতে পারে নাই। হয়তো তখন তাঁদের মস্তিস্কে এই বোধই জন্মে নাই। হাজার বছরের তীব্র লড়াই আর সংগ্রামের ভেতর দিয়ে মানুষ যখন গুহাগাত্রে তার অনুভুতি প্রকাশ করতে থাকে তখন থেকে মানুষের ইতিহাস মানুষ জানতে পারে। তখন থেকে মানুষ অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা হতে শুরু করে। এভাবেই ইতিহাসের যাত্রা শুরু বলে পণ্ডিতরা মনে করেন। তারপর আগুন জ্বালিয়ে গাছের গুড়িতে বসে দাদার মুখে গল্প শুনে শুনে ইতিহাসের একটি মৌখিক রূপ দাঁড়ায়। ইশারা-ইঙ্গিত এবং গুহাগাত্রে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার ইতিহাসে এতদ অঞ্চলের নৃতত্ত্ব ও প্রাচীনকালের ইতিহাসের বিবরণ লিখতে গিয়ে ঐতিহাসিক আবুল কাসেম ইতিহাসের নানা সূত্র থেকে বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন। এখনও পর্যন্ত এর চেয়ে গ্রহণযোগ্য বিবরণ আমাদের হাতে নাই বলে আমরা বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার ইতিহাসকে রামুর ইতিহাস থেকে মানুষের নৃতাত্ত্বিক পরিচয় তুলে ধরেছি। জনাব আবুল কাসেম লিখেন, ‘মানুষের ইতিহাস সুপ্রাচীন হলেও তার কৃষ্টি এবং সভ্যতার নিদর্শন প্রাকৃতিক কারণে খুব বেশি সংরক্ষণ করা যায় নাই। বিশেষ করে নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক কারণে সভ্যতার নিদর্শন খুব কমই পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের দূর ইতিহাসের উপাদান খুব একটা পাওয়া যায় না। বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের জেলা সমূহে এই নিদর্শন নেই বললেই চলে। প্রাকৃতিক কারণে তো বটেই, এখানকার মাটি ও কাষ্ঠ নির্মিত বাড়ি ঘর অতীতের গহ্বরে বিলীন হয়ে গেছে। প্রস্তর যুগের ব্যবহৃত হাতিয়ার, বিভিন্ন দেবতার-বিগ্রহ প্রভৃতি থেকে প্রাচীনকালের বসবাস চিহ্নিত করা হয়।’ বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস ও আমাদের এর মধ্যে খোঁজে নিতে হবে। কারণ রামু-আরাকান, চট্টগ্রাম এগুলো ছিল অভিন্ন জনপদ। ঘুরে ফিরে এই জনপদগুলোতে আমাদের পূর্বপুরুষরা বসবাস করেছে।

‘প্রাকৃতিক, পুরাতাত্ত্বিক ও নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, মনিপুর, কাচার, মিজোরাম, ত্রিপুরা, সিলেট, চট্টগ্রাম এবং আরাকান অঞ্চলে জনগোষ্ঠির মধ্যে একক বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রস্তর যুগের যুগের হাতিয়ার সমূহে এই মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। সীতাকুণ্ড পাহাড়ে ‘১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে একখণ্ড কাঠের ফসিল আবিষ্কৃত হয়েছে, যা সৌন্দর্য খচিত তরবারি মত। পন্ডিতরা মনে করেন, এটি খ্রিষ্ট জন্মের ২,০০০ (দু’হাজার) বৎসর আগের তৈরি। এ ধরনের হাতিয়ার যারা ব্যবহার করেছেন প্রাগৈতিহাসিক যুগের নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, কাচার এবং আরাকান অঞ্চলে বসবাসকারিদের সঙ্গে তাদের মিল রয়েছে। প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে, এরা কারা জবাব পাওয়া খুব কঠিন। শুধু আন্দাজ করা যায়। ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় মনে করেন, অষ্টো-এশিয়াটিক আরকানি এবং সিনো তিব্বতিরা আরাকান চট্টগ্রাম অঞ্চলের আদিবাসীদের অংশ। কিন্তু আধুনিক পণ্ডিতরা মনে করেন আরকানিরা অষ্ট্রো-এশিয়াটিক তো নয়ই, চৈনিকও নয়। তিব্বতিরা এই মানব গোষ্ঠির পরিবারভুক্ত হতে পারে। সাধারণত মনে করা হয় যে, Austroloid অথবা proto Austroloid জনগোষ্ঠি এতদাঞ্চলের আদিবাসিন্দা ছিলেন। এদের বংশধরদের এখনও দক্ষিণ এশিয়া, ইন্দোচিন, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, পিজি, মালেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশের গভীর অরণ্য ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় বসবাস করেতে দেখো যায়।

আরাকানি উপাখ্যান থেকে প্রাচীনকালের আরাকান উপকূলে বসবাকারী লোকদের পরিচয় জানা যায়। স্যার এ, পি ফেয়ার এ সম্পর্কে বলেছেন, মিয়ানমার (বার্মা) আরাকানে প্রবেশ কালে Bee-loos জনগোষ্ঠির অস্তিত্ব সেখানে ছিল। দেশটির সুচনাকালে পালি নামে ছিল রেকখাইক ( জবশ শযধরশ) বর্তমানে জধশযধরহ. বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারকরা আরাকানে প্রবেশকালেও এদের দেখেতে পেয়েছেন। এরা মানুষ খেকো রাক্ষস ছিল। পেগানের আনন্দ মন্দিরে Bee-loosরাক্ষসের মূর্তি ছিল।

চতুর্দশ শতকের একজন লেখকের লেখায় পাওয়া যায় যে, আরাকানের কিছু কিছু লোক মানুষের মাংস খেতো। বার্মার উপাখ্যান থেকে জানা যায় মুন জাতি আরাকান ও বার্মায় বসবাসকারি আদিবাসিন্দাদের মধ্যে বহু শতাব্দী যাবত এ অঞ্চলে বসবাস করেছে। পরবর্তীকালে খমার (Khmer) উপজাতিরা বার্মার সমতল ভূমিতে আগমনের সঙ্গে সঙ্গে এরা দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে এসে আশ্রয় গ্রহণ করে।

বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব গ্রন্থে ড. নীহার রঞ্জন রায় বলেন,‘মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠির লোকজন বহুপরে ভারতবর্ষে আসে। জনপ্রবাহে তাদরে প্রভাব নেই। এই জনগোষ্ঠির দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হয়ে ক্রমশঃ ব্রহ্মদেশ, মালয়, উপদ্বীপ ও পূর্ব দক্ষিণ সমুদ্রগামী দেশ ও দ্বীপগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে উত্তরপূর্ব আসামে এবং উত্তর ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় মিরি, মাগা, বোদো বা সেচ প্রভৃতি লোকদের ভেতর এদের একটি ধারা ধরা পড়ে। ব্রহ্মদেশে যে মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠির সঙ্গে আমাদের পরিচয় এরা খর্বাকায়, তাদরে মুন্ডাকৃতি গোল, দীর্ঘ নয়, চামাড়ার রং আরও ঘোর। আসামী মোঙ্গলীয়দের সঙ্গে এদের কোনো নৃতাত্তিক সম্পর্ক নেই। ব্রহ্মদেশীয় গোল, মুন্ড মঙ্গোলীয়দের সঙ্গে সমগোত্রীয়তা আছে ত্রিপুরা জেলার চাকমা, ত্রিপুরা, আরাকান ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মগদের। তবে বাঙালির রক্ত প্রবাহ এদেরপ্রভাব নেই।’

সঠিক বলা কঠিন যে, এতদ অঞ্চলে মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠির লোকরো কবে এসেছিল। সম্ভবত খ্রিষ্ট জন্মের ১৫০০ বছর পূর্বে এরা ত্রিপুরা, লুসায়ী এবং আরাকান পার্বত্য অঞ্চলে অধিবাসী হয়ে থাকবে। তিব্বতি লেখক রামা তারানাথের মতে, আদিকালে চট্টগ্রাম বঙ্গ এবং কুকিল্যান্ডের অর্ন্তভুক্ত ছিল।

মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠির লোকেরা কোন্ অঞ্চল থেকে এসেছিল তা নিশ্চত করে বলা না গেলেও এতদাঞ্চলের বসবাসকারি মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠির মধ্যে চীন, তিব্বতি উভয় অঞ্চলের লোকদের ভাষাতাত্ত্বিক মিল লক্ষ করা যায়। যেমন- চট্টগ্রাম পার্বত্য জেলার চাকমা, মগ, ত্রিপুরা, লুসাই, মুরঙ, চাক, তংচইঙ্গা প্রভৃতি উপজাতির লোকের Chu’ বলে থপাকে, তিব্বতি ভাষায় ‘ ঈযঁ’ এবং চীনা ভাষায় Chui বা Chu বলা হয়। অনুরূপভাবে চাকামা এবং মগরা নদীকে ‘ Khyoung’ আরাকানিরা বলেন Shyoung চীনা ভাষায় বলা হয় Kiang’ প্রাগৈতিহাসিক যুগে বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক কারণে বাংলাদেশে এসেছিলো নিগ্রো ( Negrito) আদি- অস্ট্রেলিয় (proto Austroloid) মঙ্গোলীয় (ক) Palace Mongoliod, (খ) Tibeto Mongoliid দ্রাবিড়, (ক) Palaco-Mediterrancean (খ) Mediterra-nean, আলপাইনীয় (Alpionid), আর্মেনীয় (Armeniod, দিনারীয় Armeniod, নর্ডীয় (Armeniod), আর্য (Aryan) , প্রভৃতি জনগোষ্ঠির রক্তধারার লোকজন।

নিগ্রো, আদি অস্ট্রেলিয় , দ্রাবিড়রা ভূমধ্য সাগরীয় অঞ্চলের লোক। এরা আরব ও ইরানের মধ্য দিয়ে সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে এই তিন জনগোষ্ঠির সংখ্যা বেশি। আর্য জনগোষ্ঠির প্রথম দল অন্যান্য দেশ হয়ে গুজরাট,মহারাষ্ট্র ও বাংলাদেশে আসে। দ্বিতীয় দল উত্তর ভারতে বসতি স্থাপন করে। নৃতত্ত্ববিদ রিজলি মনে করেন মঙ্গোলীয় নরগোষ্ঠি এবং দ্রাবিড় নরগোষ্ঠির সাংকর্ষে বাঙালির উৎপত্তি। মঙ্গোলীয়দের মাথা প্রশস্ত। বাঙালির প্রশস্ত মুন্ডের ধারা মঙ্গোলীয় শোণিতের দান। অন্যদিকে দ্রাবিড়রা কৃষ্ণবর্ণ খর্বকায়। বাঙালির শারীরিক গঠনের সঙ্গে তার মিল আছে। তবে, আধুনিক নৃতত্ত্ববিদরা রিজলির এই মত সমর্থন করেন না। এরা মনে করেন, নিম্ন বর্ণের বাঙালি এবং বাংলার আদিম অধিবাসিদের ভিতর যে জনগোষ্ঠির প্রভাব সবচেয়েয়ে বেশি এরা হচ্ছেন আদি অস্ট্রেলিয়(proto Austroloid)। এই জনগোষ্ঠি মধ্য ভারত থেকে দক্ষিণ ভারত, সিংহল থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আদি অস্ট্রেলিয়দের মতই দক্ষিণ ভারত ও মধ্য ভারতের আদি অধিবাসিরা খর্বকায়, কৃষ্ণবর্ণ, দীর্ঘমন্ডু, প্রসস্ত নাক ও তাম্র কেশ বিশিষ্ট। খুব নিম্ন বর্ণের লোকদের মধ্যে নিগ্রোবটু নরগোষ্ঠির রক্তধারা এবং উচ্চবর্ণের লোকদের মধ্যে আদি নর্ডিক আর্য রক্ত ধারা প্রবাহিত।

আদি অস্ট্রেলিয় জনগোষ্ঠির ভাষা অস্ট্রিক। অস্ট্রিক ভাষার নাম, কোন জনগোষ্ঠির নাম নয়। ভুলবশত কেউ কেউ অস্ট্রিক জনগোষ্ঠির কথা বলে থাকেন। বাঙালির অস্ট্রিক ভাষার উত্তরাধিকার বাংলা ভাষার বিভিন্ন শাখা থেকে প্রমাণিত হয়। জৈনদের আচারণ সূত্রগ্রন্থে উল্লেখ আছে, মহাবীর (খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক) যখন পথহীন রাঢ় বঙ্গভূমি ও সুরভ ভূমিতে প্রচারোদ্দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, তখন এইসব দেশের অধিবাসিরা তাকে আক্রমণ করেছিল। কতগুলি কুকুরও সঙ্গে সঙ্গে তাকে কামড়াতে আরম্ভ করে। কিন্তু কেহই এই কুকুরগুলিকে তাড়িয়ে দিতে অগ্রসর হয় নি। বরং লোকেরা সেই জৈন ভিক্ষুকে আঘাত করতে আরম্ভ করে এবং ছু ছু বলে চিৎকার করে তাকে কামড়াবার জন্য কুকুরগুলিকে লেলিয়ে দেয়। বাংলাদেশে এখনও লোকেরা কুকুর ডাকবার সময় চু চু বা তু তু বলে। এই তথ্য থেকে বাগচী মহাশয় মনে করেন বাংলা চু চু বা তুতু মূলত অস্ট্রিক শব্দ। বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার বাঙালি, রাখাইন অধিবাসীদের মধ্যেও প্রতিশব্দ দুটোর প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।’
বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার বসবাসকরি নৃগোষ্ঠির মধ্যেও এই রক্তধারা বহমান। হিন্দু, মুসলিম, বড়ুয়া, রাখাইন, মগ সব নৃ-গোষ্ঠির আদি উৎস হচ্ছে উপরে উল্লেখিত প্রামাণ্য গবেষণা। মানুষের লিখিত ইতিহাস এর চেয়ে বেশি দূর এখনও এগিয়ে যেতে পারেনি। যদি কখনও কোনো উৎস থেকে নতুন তথ্যের সন্ধ্যান পাওয়া যায় তাহলে ইতিহাসের আরও একটি শুভ্রপালক এই তথ্যসূত্রের সঙ্গে যুক্ত হবে। বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার ইতিহাস লিখতে কতো যে তথ্যের দরকার, ইতিহাসের কতো কানাগলি ঘুরে আসতে হয়, বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার ইতিহাস লিখতে গিয়ে আমি প্রতিটি পদক্ষেপে-পদক্ষেপে বুঝেছি। এই গুরু দায়িত্ব আমি কাঁধে তুলে নিয়েছি, কারণ আছে, এবং তা বলতেও হবে। বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার আমার পূর্বপুরুষদের নিয়ে এ যাবৎ কোনো লিখিত ইতিহাস আমার চোখে পড়ে নাই। লেখাপড়া করে আলোকিত হওয়ার পর আমি প্রথম অুনভব করি; হাজার বছর ধরে সমুদ্র তীরে বসবাস করে, এসব শ্রমজীবী মানুষের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে। সেই ইচ্ছে বহিঃপ্রকাশ করতে গিয়ে আমাকে ছুটতে হচ্ছে প্রাচীন গুহাগাত্র থেকে আধুনিক কক্সবাজারের অলিগলিতে। রামু, চট্টগ্রাম, আরাকান, ত্রিপুরা, মেঘালয়, কাচারসহ বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গীভুত হয়ে আছে ব্যবিলন, দামেস্কনগরী ও ভূমধ্য সাগরীয় আরব উপদ্বীপ।

ইতিহাসের প্রতিটি সূত্রে আমি পাচ্ছি, রামু, চট্টগ্রাম আরাকান একসূত্রে গাথা। সুতরাং ইতিহাসের এই পর্বে এসে সে বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে ভাবতে হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরীয় সভ্যতার ইতিহাস এই সূত্রের অপরিহার্য অংশ।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।