পাঠকের কলাম

বাসে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি

ফাইল ছবি

এতদিন শুধু ফেইসবুকে দেখতাম বাসে মেয়েদের শ্লীলতাহানির খবর। আজকে নিজের স্বচোখে দেখে আমি অবাক হয়েছি। কাজির দেউরী থেকে মেহেদীবাগ যাচ্ছিলাম ৩ নং বাসে। আলমাস সিনেমা হলের মোড় থেকে ২ টা মেয়ে উঠেছে ঐ বাসে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে মনে হলো মেয়ে ২ টা। একজন সিট পেয়েছে আর একজন দাঁড়িয়ে ছিল।

কিছুদূর গেলে একটা কালো লম্বা করে লোক বাসে উঠে বয়স ৩৫-৪০ হবে। লোকটা সাথে সাথে বাসে মেয়েদের সিটের পাশে গিয়ে দাড়াঁলো এবং পাশের মেয়েটার সাথে খুব বেশি গাঁ গেসাগেসি করছিল। আমি লোকটাকে বলছি ভাই পিছনে জায়গা আছে ঐখানে দাঁড়ান। লোকটা কানেই নিচ্ছে না। লোকটার হাতের মুভমেন্টের দিকে আমি তাকাচ্ছি ওনি এত বাজেঁভাবে মেয়েটার পেছনে হাত দিচ্ছে আমি অবাক এবং ইচ্ছা করেই এত বাজেঁভাবে হাত দিচ্ছে। মেয়েটা ও বারবার পিছনে তাকাচ্ছে এবং লজ্জায় কিছু বলতে পারছেনা ওনার চাহনি দেখে বুঝতে পেরেছি।

আমার পেছনের এক হুজুর ও বিষয়টা খেয়াল করলো। হুজুর ও ডাক দিল লোকটাকে। বলল আপনি মেয়েদের গায়ের ভেতর ঢুকে যাচ্ছেন কেন। দেখি বাসের হেল্পার ছেলেটা ও খেয়াল করেছে বিষয়টা ওনি যে মেয়েটার পেছনে হাত দিচ্ছে। ছেলেটা ঐ লোকটারে গালি দিয়ে নামিয়ে দিতে চাইলো। লোকটা উল্টা বাসের হেল্পার ছেলেটাকে মারার জন্য প্রস্তুত। আমরা সবাই লোকটাকে অনেক কিছু বললাম। এমন কি বাসের হেল্পার গনধোলাই দেওয়ার হুমকি দিল এর পরেও লোকটা বাস থেকে নামেনি। উল্টা বলছে বাসে সিট নাই মেয়ে নিছেন কেন।

এরপর আমি ন্যাশনাল হসপিটাল নেমে যায়। কি হয়েছে এরপর আমি জানি না। তবে পাবলিক বাসে যে মেয়েরা হ্যারাসমেন্টের শিকার হচ্ছে এটা বাস্তবে আজকে খেয়াল করলাম। যেসব মেয়েরা পাবলিক যানবাহনে চলাফেরা করেন তারা একটু সর্তকতার সহিত চলাফেরা করুন। কারন এসব যানবাহনে কিছু মানুষরুপী জানোয়ার উঠে।

নুর আলম
ছাত্র, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।