খেলাধুলা

বিসিবি প্রেসিডেন্ট’স কাপের ফাইনালে নাজমুল-মাহমুদউল্লাহ একাদশ

ফাইল ছবি

ক্রীড়া ডেস্ক : বিসিবি প্রেসিডেন্ট’স কাপের ফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে জয়ের বিকল্প ছিল না তামিম একাদশের। জয়ের ভালো একটা সম্ভাবনা জাগিয়েছিলও তামিমের দল। একটা সময় মনে হচ্ছিল জয়টা তামিমদের জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে বিস্ময়করভাবে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ৭ রানে হেরেছে তামিম একাদশ।

এই হারের সঙ্গে টুর্নামেন্ট থেকেও বিদায় নিশ্চিত হলো তামিমের দলের। অপর দিকে ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে নাজমুল একাদশ ও মাহমুদউল্লাহ একাদশের। এ নিয়ে গ্রুপের পর্বে চারটি করে ম্যাচ খেলে নাজমুল একাদশ জিতল তিনটিতে, মাহমুদউল্লাহ একাদশ দুটিতে এবং তামিম একাদশ একটিতে।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থেকেছে পাক্কা তিন ঘণ্টা। তাতে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয় ৪১ ওভারে। প্রথমে ব্যাটিং করে ১৬৫ রান তোলে নাজমুল একাদশ। জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি তামিম একাদশের। শুরুতে রান তুলতে পারেননি দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। বিজয় ১৩ বলে ৭ রান করে ফেরেন, অন্য প্রান্তে প্রথম ২৩ বলে মাত্র ৩ রান তুলতে পারেন তামিম।

তবে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক উইকেটে সেট হওয়ার পর দলের ইনিংস অনেকটা একাই এগিয়ে নিচ্ছিলেন। ২৮তম ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে দলীয় ১০০ রান পূর্ণ করে তামিম একাদশ। শেষ ৮৫ বলে ৬৬ রান লাগত তামিমের দলের, হাতে তখন আট উইকেট। তারপরও ম্যাচটা জিততে পারল না দলটি।

দলীয় ১০১ রানের মাথায় তামিম ৮৫ বলে ৬ চারে ৫৭ রান করে ফিরলে যে থাক্কা খায় দলটি পরে সেটা আর কাটিয়ে উঠতে পারেননি পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা। ১০১ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারানো দলটি গুটিয়ে যায় ১৫৬ রানে। তামিম ফেরার পর এক মোহাম্মদ মিঠুন (২৯) ছাড়া দাঁড়াতে পারেননি আর কেউই।

তামিমদের এই ধসে বড় অবদান তাসকিন আহমেদের। টুর্নামেন্টের প্রতি ম্যাচেই দারুণ বোলিং করা তাসকিন সেভাবে উইকেট পাচ্ছিলেন না। আজ সেই আক্ষেপ ঘুচল। ৮ ওভারে ৩৬ রান খরচায় ৪ উইকেট তুলে নিয়ে তামিমদের জেতা ম্যাচটা জিততে দেননি তাসকিন। নাজমুল একাদশের অপর পেসার আল-আমিন হোসেন একটা মাত্র উইকেট পেলেও ৯ ওভারে রান দিয়েছেন মাত্র ১৯।