উখিয়াকক্সবাজারজাতীয়টেকনাফ

রাত পোহালেই রুপালি ইলিশের খোঁজ শুরু

শাহ্‌ মুহাম্মদ রুবেল। 

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে। বুধবার থেকে আবারও সাগরে জাল ফেলবেন জেলেরা। কক্সবাজার শহরের প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ফিশারিঘাটসহ জেলার অন্যান্য ঘাটে জেলেদের চলছে প্রস্তুতি। রাত পেরোলেই শুরু হবে মাছ ধরা। বঙ্গোপসাগরে মাছধরার সেই চিরায়ত দৃশ্য দেখা যাবে কক্সবাজার সৈকত থেকে।

জেলার বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলেরা। কেউ জাল মেরামত করছেন, কেউ বা ট্রলার মেরামত করছেন। জেলেদের মুখে দেখা গেছে হাসির ঝিলিক।

এদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় ৬৫ দিন ধরে সাগরে মাছ ধরতে পারেননি জেলেরা। সে সময় জেলেদের সাহায্যের জন্য সরকারি তালিকাভুক্ত  ৪৮ হাজার ৩৯৩ জন জেলেকে জনপ্রতি ৮৬ কেজি চাল দেওয়া হয়। তখন তাদের দুরবস্থায় দিন কাটলেও তাতে একটুও আপেক্ষ নেই। এখন জালে প্রচুর রুপালি ইলিশ ধরা দিবে এমনটা আশা করছেন জেলেরা। স্বপ্ন দেখছেন ওই ৬৫ দিনের ধারদেনা পরিশোধ করে আবারও ঘুরে দাঁড়াবেন।

ফিশারিঘাটের জেলে কলিম উল্লাহ বলেন, সরকার ঘোষিত ৬৫ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে এতোদিন সাগরে মাছ শিকারে যাইনি। ফলে কোনো রকম খেরে দিনযাপন করতে হয়েছে আমাদের। এখন নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ ধরতে পারবো। এতেই আমরা অনেক খুশি। দুঃসময়ে চাল দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে। তবে সাগরে জেলেদের নিরাপত্তার জন্য নৌ বাহিনী ও কোষ্টগার্ডের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।