খেলাধুলা

শান্তদের কাছে মাহমুদউল্লাহদের বড় হার

মুশফিকুর রহিমের একটি শট

ক্রীড়া ডেস্ক : টপ অর্ডার ফের ব্যর্থ হয়েছে। তারপরও মিডল অর্ডারে আফিফ হোসেন ধ্রুব প্রায় সেঞ্চুরি ও মুশফিকুরে রহিমের হাফ সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহই পেয়েছিল শান্ত একাদশ।

পরে বল হাতে জ্বলে উঠলেন দলটির দুই বোলার আবু জায়েদ রাহি ও নাসুম আহমেদ। দুই মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট’স কাপে মাহমুদউল্লাহ একাদশের বিপক্ষে ১৩১ রানের বড় জয় পেয়েছে নাজমুল একাদশ।

তৃতীয় ম্যাচে নাজমুলদের এটা দ্বিতীয় জয়। অন্য দিকে তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে দ্বিতীয়বার হারল মাহমুদউল্লাহরা। ফলে তিন দলের এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে যাওয়াটা কঠিনই হবে মাহমুদউল্লাহদের কাছে।

প্রথম দুই ম্যাচে মাহমুদউল্লাহদের শুরুটা ভালো হয়নি। পরে মিডল, লোয়ার অর্ডারও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। আজ নাজমুলদের ২৬৪ রানের জবাব দিতে নেমেও ঘটল একই ঘটনা। মিডল থেকে ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করতে পাঠানো হয়েছিল ইমরুল কায়েসকে। সফল হতে পারেননি, ফিরেছেন ১১ বলে ৪ রান করে। অপর ওপেনার লিটন দাস সেট হওয়ার পর আজও উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন। ২৭ বলে ৫ চারে ২৭ রান করেছেন তিনি। তারপর ব্যাটিং পজিশনের সাত নম্বর পর্যন্ত সবাই দুই অঙ্কের কোটা পেরুতে পেরেছেন। কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই। ছয় নম্বরে নেমে নুরুল হাসান সোহান করেছেন ২৮ রান। সেটাই ইনিংস সর্বোচ্চ।

সব মিলিয়ে ২৬৪ রানের জবাব দিতে নামা মাহমুদউল্লাহ একাদশ ৩২.১ ওভারে ১৩৩ রানেই অলআউট হয়ে যায়। বোলিংয়ে আলাদা করে বলতে হয় আবু জায়েদ রাহির কথা। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে অনেকদিন অনুশীলন মিস করেছেন। শারীরীক দুর্বলতার কারণে প্রেসিডেন্ট’স কাপের প্রথম কয়েকটা ম্যাচও মিস করেছেন। আজ প্রথমবার খেলতে নেমেছিলেন এই টুর্নামেন্ট। নেমেই বাজিমাত।

নাজমুল একাদশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন জাতীয় দলের এই পেসার। ৭ ওভার বোলিং করে ৩৪ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি পেসার। বাঁহাতি অর্থডোক্স বোলার নাসুম আহমেদ নিয়েছেন ২৩ রানে তিন উইকেট। এছাড়া ২৬ রানে দুই উইকেট নিয়েছেন রিশাদ হোসেন।

এর আগে নাজমুল একাদশের শুরুটাও ভালো ছিল না। ৩১ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ফেলে তারা। তারপরও দলটি আড়াইশোর্ধ্ব স্কোর পেলে চতুর্থ উইকেটে আফিফ হোসেন ও মুশফিকুর রহিমের ১৪৭ রানের জুটি কল্যাণে। দুর্দান্ত ব্যাটিং করা তরুণ আফিফ সেঞ্চুরির দিকেই এগুচ্ছিলেন। কিন্তু মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝিতে রান আউট হয়েছেন সেঞ্চুরি থেকে দুই রান আগে।

৯৮ রান করার পথে ১২টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন আফিফ। মুশফিকুর রহিম ৯২ বলে ৫২ রান করেছেন। এছাড়া ইরফান শুক্কুর ৩১ বলে ৪টি চার ২টি ছক্কার সাহায্যে করেছেন ৪৮ রান। মাহমুদউল্লাহ একাদশের হয়ে রুবেল হোসেন ৫৩ রানে ৩টি ও ইবাদত হোসেন ৬০ রানে ২টি উইকেট নিয়েছেন।