তামিম ইকবাল খুঁজে পান ফেইসবুক লাইভের স্বার্থকতা

রাইজিং কক্স ডেস্ক : শুরুটা হয়েছিল গত ২ মে (শনিবার)। সতীর্থ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহীমকে সঙ্গে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক লাইভ সেশনের ব্যবস্থা করেছিলেন বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। আজ (৯ মে) পূরণ হলো এক সপ্তাহ। মাঝের সময়টায় মুশফিকের পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং তাসকিন আহমেদ-রুবেল হোসেনকে নিয়ে আরও তিনটি লাইভ আড্ডার ব্যবস্থা করেছেন তামিম। এই আয়োজনের এক সপ্তাহের মধ্যেই তামিম খুঁজে পেলেন এর স্বার্থকতা। মুশফিকের সঙ্গে প্রথম দিনের লাইভের সময়ই তামিম জানিয়েছিলেন, মূলত করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক, যে ভয়, চারদিকে যত নেতিবাচক খবর; সেসব থেকে খানিক পাশ কাটিয়ে অল্প কিছুক্ষণের জন্য হলেও মানুষকে বিনোদন দেয়ার জন্য তার এই চেষ্টা। প্রথম সপ্তাহে সফলই বলা চলে তামিমকে। যার প্রমাণ মিলেছে লাইভ সেশনের মন্তব্যের ঘরেও। শুক্রবার তামিমের লাইভে ছিলেন তাসকিন ও রুবেল। তাদের এই লাইভ দেখে মন্তব্য করেছেন খাইরুল হাসান জুয়েল নামের এক চিকিৎসক। যিনি নিজে করোনা আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময়ের মধ্যেও উপভোগ করছেন তামিমের এই আয়োজন।
ডা. খাইরুল হাসান জুয়েলের মন্তব্য, ‘আমি এখন ডাক্তার এবং আমি করোনা পজিটিভ। আমি এই অনুষ্ঠানটি খুবই উপভোগ করি। তামিমকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ডা. জুয়েল, হালুয়াঘাট ইউএইচসি, ময়মনসিংহ।’
এ মন্তব্যের ভেতরেই নিজের লাইভ আড্ডার স্বার্থকতা খুঁজে পেয়েছেন তামিম। স্ক্রিনশট আপলোড করে তিনি লিখেছেন, ‘ডাঃ খাইরুল হাসান জুয়েল; করোনা-যুদ্ধে সামনের সারির সৈনিক। এখন নিজেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এ চিকিৎসক। নিজের এ কঠিন সময়ে তিনি ‘তামিম ইকবাল লাইভ’ দেখার কথা জানিয়েছেন আজকের প্রোগ্রামের কমেন্টস বক্সে। তাতে আমি খুঁজে পেয়েছি এ অনুষ্ঠানের সার্থকতা।’

‘কারণ ভীষণ কঠিন এ সময়ে মানুষকে কিছুটা বিনোদন দেবার উদ্দেশ্যেই তো সতীর্থদের নিয়ে করছি ধারাবাহিক লাইভ। যেন সবাই মিলে আড্ডায় যতটা সম্ভব ভুলে থাকতে পারি দুঃসময়। আমি বিশ্বাস করি, ডাঃ জুয়েল সুস্থ হয়ে উঠবেন শিগগিরি। আর খুব তাড়াতাড়ি করোনার এই ভয়ঙ্কর সময়টা কাটিয়ে উঠতে পারব সবাই মিলে। এ যুদ্ধে আমরা হারব না কিছুতেই।’

এসএএস/এমএস

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।