বিরামপুরের কয়েকটি গ্রামে ঈদ উদযাপন

রাইজিং কক্স ডেস্ক: সারাদেশে আগামী সোমবার মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপনের দিন নির্ধারিত হলেও দিনাজপুরের বিরামপুরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দুটি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।
আজ রবিবার সকাল ৮টায় উপজেলার খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর গ্রামের মসজিদে এবং ৭টা ৪৫ মিনিটে আয়ড়া বাজার মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দুই জামাতে ১৫ গ্রামের প্রায় একশ লোক নামাজ আদায় করেন। একটিতে মো. দেলোয়ার হোসেন কাজি এবং অন্যটিতে মাওলানা ইলিয়াস আলী ইমামতি করেন। জামাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিও উপস্থিত ছিলেন।

সরেজমিনে রবিবার সকালে উপজেলার খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর গ্রামের গিয়ে দেখা যায়, সময় হওয়ার আগে দূর দূরান্তের গ্রামগুলো থেকে কেউ ভ্যানে করে আবার কেউবা বা মোটরসাইকেলযোগে একত্রিত হতে থাকেন। বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকেও করা হয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা। নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় ওই এলাকার মসজিদে মো. দোলোয়ার হোসেন কাজির ইমামতিতে নামাজ শুরু হয়। নামাজে পুরুষ মুসল্লির পাশাপাশি নারী মুসল্লির উপস্থিত ছিল।
একদিন আগে ঈদ উদযাপন করার বিষয়ে জানতে চাইলে ইমাম মো. দোলোয়ার হোসেন কাজি কালের কণ্ঠকে বলেন, সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দিনের পরিবর্তন হয় না। তাই এই নামাজ আদায় করা।
দেলোয়ার হোসেন বলেন,১৯৯৭ সাল থেকে এভাবে নামাজ আদায়ের পরিকল্পনা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকে আমার সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে নামাজ আদায় করছি। তবে গতবারের চেয়ে এবার মুসল্লির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আগাম ঈদের জামাতে যাতে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা না ঘটে সেজন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।