সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে গড়ে সবচেয়ে কম টেস্ট বাংলাদেশে

তারিক চয়ন : করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বিবেচনায় বিশ্বের দুই শতাধিক দেশের মধ্যে ৭৮,০৫২ রোগী নিয়ে বাংলাদেশ এখন ১৯ তম স্থানে অবস্থান করছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এই ১৯ টি দেশের মধ্যে প্রতি দশ লক্ষ জনসংখ্যার বিপরীতে সবচেয়ে কম টেস্ট হয়েছে বাংলাদেশে। শুধু তাই নয়, সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বিশ্বের প্রথম ২৯ টি দেশের মধ্যেও সবচেয়ে কম টেস্ট হয়েছে বাংলাদেশে।এ রিপোর্ট করা পর্যন্ত (১১ জুন, বিকেল ৫.৩০ টা) পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার এর হালনাগাদ করা তথ্য অনুযায়ী প্রতি দশ লক্ষ জনসংখ্যার বিপরীতে বাংলাদেশে টেস্ট হয়েছে ২,৭৭৯ টি। যেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে করা হয়েছে ২,৬১,২৪৪ টি! কাতার, স্পেন এবং রাশিয়ায় যেখানে করা হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ করে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে যথাক্রমে প্রায় ৯০ হাজার এবং ৭০ হাজার টি। ইতালি এবং জার্মানিতে যথাক্রমে ৭০ হাজার এবং ৫০ হাজারেরও বেশি করে।

শুধু তাই নয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতেও করা হয়েছে ৩,৭৮০ টি করে যা বাংলাদেশের ১ হাজারেরও বেশি।

পাকিস্তানের চিত্রও প্রায় একই রকম। সেখানে টেস্ট হয়েছে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি করে। সিঙ্গাপুরেও করা হয়েছে প্রায় ৮৪ হাজার টেস্ট।

সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বিশ্বের প্রথম ৩০ টি দেশের মধ্যে শুধু মিশরেই বাংলাদেশের চেয়ে কম টেস্ট করা হয়েছে।

দেখা যাচ্ছে, মোট জনসংখ্যার বিপরীতে টেস্ট করানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান সর্বনিম্ন। তারপরও যতটুকু হয়েছে সে হিসেবেই নতুন শণাক্তের সংখ্যায় বাংলাদেশ এখন রাশিয়া, পাকিস্তান এবং মেক্সিকোর পরেই অর্থাৎ বিশ্বে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। সুতরাং অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে যতো বেশি টেস্ট করানো হবে, ততোই বেশি হারে করোনা রোগী শনাক্ত হবেন। যা করোনার বিস্তাররোধ এবং মৃত্যুহার কমানোর জন্য অতীব প্রয়োজন। সূত্র : মানবজমিন

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।