বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে ১৭ অক্টোবর

ডা. দীপু মনি। -ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক : আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে টিকা সংক্রান্ত সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছক আকারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) তথ্য পাঠাতে হবে।

যে বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন হলসহ সব কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এর আগে বৈঠকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার জন্য ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়। পরে এ দিন শুক্রবার হওয়ায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ১৭ অক্টোবর (রবিবার) করা হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্যদের সাথে আলোচনা শেষে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে সিদ্ধান্ত জানতে চান।

পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা যেতে পারে। তবে তার আগে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কতজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছেন তার তথ্য ছক আকারে ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। এরমধ্যে কতজন টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন, কতজন এক ডোজ নিয়েছেন, অবসান হলের কতজন শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছে এ সংক্রান্ত তথ্য ইউজিসিতে পাঠাতে হবে।

বৈঠকে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) আছে, কিন্তু টিকা পাননি তাদের তথ্যও পাঠাতে বলা হয়। আর যাদের এনআইডি নেই তাদেরও তথ্য পাঠাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে গণটিকা চালুর আগে তাদের এনআইডি করে দ্রুত সময়ে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এটা না হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, তথ্য বিবেচনা করে সন্তোষজনক হলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমোদন দিতে পারবে ইউজিসি। তবে যাদের টিকা কার্যক্রম শেষ হবে না তাদের বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ টেকনিক্যাল কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।