প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ‘এডভান্সড পাওয়ার সিস্টেম ল্যাবরেটরি’ উদ্বোধন

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি সংবাদদাতা : প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে রবিবার সকাল ১১টায় ‘এডভান্সড পাওয়ার সিস্টেম ল্যাবরেটরি’ এর উদ্বোধন হয়েছে।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও শিক্ষায় একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন এই ল্যাবরেটরি উদ্বোধন করেন। ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি ছিলেন। বিভাগের চেয়ারম্যান টুটন চন্দ্র মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর এ কে এম তফজল হক, প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ, রেজিস্ট্রার খুরশিদুর রহমান, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মুন্না, প্রভাষক আকরামুল হক, আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিক, হেলাল উদ্দিন, সুমনা সেন, আজিম খান, সানজিদা আকতার তুনাজ, মো. রাফি ইসলাম, মিনহাজুল আলম রাহাত, সাইদুর রহমান পাভেল, আইটি সাপোর্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স অ্যাসিস্ট্যান্ট বিভাষ পাল, ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট জিয়াউর রহমান মিলন, ভাস্কর চক্রবর্তী ও মো. সৌরভ প্রমুখ।

এই ল্যাবরেটরি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের বিভিন্ন দিক নিয়ে হাতে কলমে কাজ করার সুযোগ পাবেন। বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন সিস্টেম-এর বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এই ‘এডভান্সড পাওয়ার সিস্টেম ল্যাবরেটরী’তে বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষা করা যাবে।

উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. অনুপম সেন এই ল্যাবরেটরির পাশাপাশি কন্ট্রোল সিস্টেম ল্যাবরেটরি কক্ষে ‘প্রোগ্রামেবল লজিক কন্ট্রোলার প্যানেল বোর্ড’ও উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধক ও প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, আজকের বিশ্ব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিশ্ব। ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে, মানবজাতির কল্যাণে আবিষ্কার ও উৎপাদন হচ্ছে নানা কিছু। প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব কিছু মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছে। বিদ্যুতের কথা ধরা যাক। এক বিজ্ঞানী, যাঁর ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণা রয়েছে, কিছুদিন আগে আফ্রিকার এক অন্ধকার রাস্তায় তাঁর ইলেকট্রিক্যাল গাড়ির সঞ্চিত বিদ্যুৎ শক্তি নিঃশেষ হয়ে গেলে তিনি বিপদে পড়েন। তখন তিনি চিন্তা করে দেখেন যে, অন্ধকারের মধ্যে বিভিন্ন ‘রে’ রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে তিনি তাঁর ব্যাটারিকে পুনর্বিদ্যুতায়িত বা চার্জড করতে পারেন। তিনি তাঁর জ্ঞানকে ব্যবহার করে তা’ই করেন এবং সেই অন্ধকার রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যথাস্থানে পৌঁছান। তাঁর এই আবিষ্কার বিজ্ঞান বিশ্বে, বিশেষত সোলার বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে নতুন উদ্দিপনা সৃষ্টি করেছে। অন্ধকার থেকে আলোর উৎস নিয়ে এখন গবেষণা শুরু হয়েছে। আমাদের শিক্ষক ও ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। নতুন যে-যন্ত্রগুলো বর্তমানে সংস্থাপন করা হলো, সেগুলো নিশ্চয়ই বিদ্যুৎ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁদের নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উদ্বুদ্ধ করবে।

রাইজিংকক্স.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।